পত্রিকা:‌ ''অপারেশন ক্লিন হার্টের' আদলে অভিযানের চিন্তা'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বিরোধপূর্ণ জমি পালটাপালটি দখলকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অপরাধীচক্র। তাদের নেপথ্যে রয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের হাত।

সম্প্রতি ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রোপার্টিজ, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এবং আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে হামলার ঘটনায় বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

এসব ঘটনায় নাগরিক জীবনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। দেখা দিয়েছে নানা আশঙ্কা। কখন কার জমি বিরোধপূর্ণ দাবি করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসীরা দখলের চেষ্টা করে-এমন ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে মানুষের মনে। দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগে এমনটি হচ্ছে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

এসব ঘটনা সামনে রেখে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। এর অংশ হিসাবে নজর দেওয়া হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড ও অপতৎপরতার দিকে।

তাদের দমনে ২০০২ সালের 'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এর আদলে বড় ধরনের অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যুগান্তর

'রাজধানীতে চাঁদাবাজরা বেপরোয়া' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চিহ্নিত চাঁদাবাজরা। ঢাকার প্রায় প্রতিটি থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। শুধু অভিযোগই নয় অনেক ভুক্তভোগী থানায় মামলাও করছেন। এসব মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পাচ্ছে।

এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঢাকার বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলার ৮৫ শতাংশের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব মামলার চার্জশিটও জমা দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক মামলার বিচার শুরু হয় না।

সম্প্রতি ঢাকার ৫০টি থানার চাঁদাবাজি ও দখলসংক্রান্ত মামলার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমনই চিত্র। এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশের এক পরিসংখ্যানে ঢাকায় প্রায় ১২৮০ জন চিহ্নিত চাঁদাবাজদের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে অস্ত্রধারী চাঁদাবাজ আছে ১৪৮ জন।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ঢাকা মহানগরের ৫০টি থানার মধ্যে ৪৯টিতে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে ৭২৩টি। এসব মামলার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে মোহাম্মদপুর থানায়। এরপর রয়েছে যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা।

মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'মিরপুরে তিন ভাইয়ের বাহিনী' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আবাসন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর প্রায় ২৮ কাঠা জমি রয়েছে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানার আওতাধীন বাইগারটেক এলাকায়। জমিটির চারদিকে সীমানাপ্রাচীর তুলে ভেতরে পাঁচটি টিনের ছাউনির ঘর করেছিলেন তিনি। সেগুলো ভাড়া দিতেন।

মোহাম্মদ আলী ১৭ই সেপ্টেম্বর প্রথম আলোকে বলেন, গত ৩০শে এপ্রিল রাতে একদল সন্ত্রাসী বুলডোজার দিয়ে তাঁর জমির সীমানাপ্রাচীর ও ঘরগুলো গুঁড়িয়ে দেয়। জমিটি দখল করে নিয়েছে তারা। এখন আর তিনি সেখানে যেতে পারছেন না।

তিনি আরও বলেন, 'আমার জমির দাম প্রায় ২৫ কোটি টাকা। মামুন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা সে জমি দখল করে নিয়েছে। মামুনের ভাই মশিউর রহমান আমাকে ফোন করে জমিতে যেতে নিষেধ করেছেন।'

মোহাম্মদ আলী যে 'মামুন বাহিনী'র কথা বলেছেন, সেটি মিরপুরের একটি অপরাধী দলের নাম। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে বাহিনীটির নামে মানুষের জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ঝুট ব্যবসা, কেব্ল টেলিভিশন (ডিশ) ও ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ বস্তির ঘর থেকে ভাড়া আদায়সহ নানা অপরাধের অভিযোগ আসছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলছে, বিদেশে থাকা চারজন 'সন্ত্রাসী' মিলে মিরপুরে 'ফোর স্টার গ্রুপ' বা চারটি বাহিনী পরিচালনা করে। চার বাহিনীর একটি 'মামুন বাহিনী'।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার থেকে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক জায়গায় এ বাড়তি দামেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়তি দামের জন্য খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকরা সরবরাহ সংকটকে দায়ী করেছেন।

তাদের অভিযোগ, চাহিদামতো এলপিজি সরবরাহ না পাওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে অপারেটররা দাবি করেছেন, বাজারে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই। বাজারে এলপি গ্যাসের বাড়তি দাম নিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তুষ্টি তৈরি হয়েছে।

দেশের বাজারে চলতি মাসে (২২শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) এলপিজি আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ টন। যেখানে গত মাসে আমদানি ছিল ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টনের মতো। সে হিসেবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার টন এলপিজি কম আমদানি হয়েছে।

শীর্ষ দুই এলপিজি অপারেটরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগস্টের তুলনায় চলতি মাসে ২৫-৩০ শতাংশ আমদানি কম হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে পর্যাপ্ত কার্গো বা জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরিবহন খরচও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বণিক বার্তা

'ফের গণভোটের উদ্যোগে প্রশ্ন' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে গণভোট আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) অন্য দলগুলো বলছে, গত ফেব্রুয়ারিতেই এ বিষয়ে গণভোট হয়ে গেছে। এখন সরকার নতুন একটা গণভোট করে আগের গণভোটের রায়কে বাতিল করার চেষ্টা করছে।

যদিও সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গত রোববার কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, নতুন ভোট হবে সাংবিধানিক গণভোট। সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু জায়গায় সংসদ যদি কোনো পরিবর্তন আনে, তাহলে গণভোটে দিতে হয়।

এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। তবে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'জনগণ যে জনরায় দিয়েছে, এটাকে উনারা কোনোভাবেই আমলে নিতে চাচ্ছেন না। উনারা নতুন একটা গণভোট করে আগের গণভোটের রায়কে বাতিল করার চেষ্টা করছেন। এটা আসলে গণতন্ত্রের মুখে চপেটাঘাত এবং পেছনে ছুরিকাঘাত।'

তবে পুনরায় গণভোট নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির বিষয়ে সংবিধান সংশোধন - সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সদস্য বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন, 'বিরোধী দল কমিটিতে অংশগ্রহণ করলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। কিন্তু তারা অংশ না নিলে আমাদের একতরফাভাবেই এগিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে আমরা গণভোট দিতে পারি।'

আজকের পত্রিকা

নিউ এইজের শিরোনাম 'Younger people at growing risk of heart disease' অর্থাৎ 'তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে'।

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে ঢাকার উত্তরায় চলন্ত বাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ২২ বছর বয়সী শামীম আহসান। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তাঁর ভাই জুয়েল রানা বলেন, 'শামীম একজন ক্রীড়াবিদ ছিলেন—প্রাণবন্ত ও সাহসী। তাঁর যে হৃদরোগের সমস্যা ছিল, তা আমরা কখনো ভাবতেই পারিনি।' তিনি আরও জানান, তাঁকে চিকিৎসার সুযোগটুকুও তাঁরা পাননি।

শামীম চিকিৎসার সুযোগ না পেলেও, ৪২ বছর বয়সী চিকিৎসক আবু মো. সায়েম গত বছর একদিন সকালে নিজের হাসপাতালেই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। হঠাৎ তাঁর বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

সায়েম বলেন, 'এর আগে কখনো আমার হৃদযন্ত্রের কোনো সমস্যা হয়নি। কীভাবে এই রোগটি হলো, তা আমি জানি না।' বর্তমানে তাঁর হৃদযন্ত্রে দুটি স্টেন্ট বসানো রয়েছে।

চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে কম বয়সী মানুষের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, ভেজাল খাবার, ধূমপান, মদ্যপান ও দূষণকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর আনুমানিক ৯ লাখ ৯৬ হাজার মৃত্যুর মধ্যে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশের কারণ ছিল হার্ট অ্যাটাক।

নিউ এইজ

'কবরে যেতেও শান্তি নেই' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় তিন কোটি মানুষের ঢাকা শহরে স্মৃতিটুকু ধরে রাখার নিশ্চয়তা নেই। এখানে সাধারণ একটি কবরের আয়ু সর্বোচ্চ দুই বছর। জায়গার অভাবে পুরনো কবরেই আবার দাফন করা হচ্ছে নতুন মরদেহ।

কোথাও স্বজনের কবরের চিহ্নটুকু টিকিয়ে রাখতে মাসে মাসে পকেট থেকে টাকা খসছে, কোথাও দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণে গুনতে হচ্ছে লাখ থেকে কোটি টাকা।

তথ্য অনুযায়ী, অর্থ থাকলে বনানীতে একটি কবর ২৫ বছর ধরে রাখা যায় সাড়ে চার কোটি টাকায়। সেই সামর্থ্য না থাকলে দুই বছর পর একই জায়গায় শায়িত হতে পারেন অচেনা কেউ।

রাজধানীর অন্য এলাকায় একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য কবর সংরক্ষণ করতে হলে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়।

জানা গেছে, সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রণাধীন কবরস্থানগুলোতে নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও খাটোলি রয়েছেন। প্রতিটি কবরস্থানে এ ধরনের কর্মীর সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ জন, ক্ষেত্রবিশেষে আরো বেশি।

তবে কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কোনো কোনো কবরস্থানে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা কবরের পরিচর্যার নামে মানুষের কাছ থেকে বাড়তি অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই বিদ্যুৎ ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খাতে ভর্তুকির চাপ সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

মাত্র তিন মাসে দুই খাতে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ৪২ হাজার কোটি টাকার প্রায় ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ বছরের এক-চতুর্থাংশ সময় না যেতেই ভর্তুকি বাজেটের প্রায় অর্ধেক ব্যয় হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হিসাবে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাত, এলএনজি সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয়ের অনিশ্চয়তা এবং দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বছরের শেষ নাগাদ এ ব্যয় আরো অনেক বাড়তে পারে।

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে এলএনজি খাতে ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সে ক্ষেত্রে দুই খাতেই সরকারের মোট ভর্তুকি ৯০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নয়াদিগন্ত

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম '1,300 held in drives against teen gangs' অর্থাৎ 'কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১,৩০০ আটক'।

খবরে বলা হচ্ছে, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত সন্দেহে ১,৩১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

গতকাল তাদের মধ্যে অন্তত ৭৩০ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ​​হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশের একটি উচ্চপর্যায়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি সম্প্রতি শহরাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য কিশোর গ্যাংগুলোকে একটি ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ ধরনের দলগুলো রাস্তায় সহিংসতা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং সাইবার অপরাধের সাথে জড়িত। এতে গ্যাং সদস্যদের শনাক্ত করে তাদের পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

সমস্যাটি এখন আর কেবল কিশোরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রগুলো এমন কিছু নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে যেখানে প্রাপ্তবয়স্করা কিশোরদের নেতৃত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি কিছু গ্যাং এলাকা নিয়ন্ত্রণ, অর্থের বিনিময়ে পেশিশক্তি প্রদর্শন এবং জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, এ ধরনের দলগুলো ছোটখাটো চাঁদাবাজির গণ্ডি পেরিয়ে এখন আন্ডারওয়ার্ল্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় একের পর এক হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণ এবং অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণের করুণ পরিণতির বড় উদাহরণ দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

সৈকতে অবাধ যাতায়াত, উচ্চ শব্দে গান-বাজনা, বারবিকিউ পার্টি আর অনিয়ন্ত্রিত পর্যটকের কারণে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়ে। ধ্বংসের কিনারায় পৌঁছে টনক নড়ে সরকারের। দ্বীপ এখন নিয়ন্ত্রিত; বছরের ১০ মাসই সেন্টমার্টিনে পর্যটক নিষিদ্ধ।

সেই রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা এখন ব্যবসা খুলেছেন বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পাশে। প্রথম দিকে শুধু খুলনার দাকোপের ঢাংমারীতে কিছু রিসোর্ট তৈরি হয়। ধীরে ধীরে তা মোংলার চিলা, বৈদ্যমারী, চাঁদপাই, সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে।

সাত-আট বছর ধরে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠছে ২১টি রিসোর্ট ও কটেজ। জমি কিনে ও ইজারা নিয়ে নির্মাণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে আরও ১০টি।

সেন্টমার্টিনের মতোই ১৯৯৯ সালে সুন্দরবনের সীমানা থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ওই এলাকায় শিল্প ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ।

সমকাল