পত্রিকা: 'দুই মাস বাড়তি দামে জ্বালানি তেল কিনতে হবে বাংলাদেশকে'

সমকালের প্রথম পাতার একটি খবর হচ্ছে— দুই মাস বাড়তি দামে জ্বালানি তেল কিনতে হবে বাংলাদেশকে।
এ খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও জ্বালানি নিয়ে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন চলমান সংকট কাটতে সময় লাগবে।
বিশেষ করে দাম নিয়ে সরকারের দুশ্চিন্তা থাকছেই। আরও অন্তত দুই মাস উচ্চ দামে জ্বালানি কিনতে হবে। এর মধ্যে যদি আবার যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠার আশঙ্কা আছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক জানিয়েছেন, চুক্তিভিত্তিক এলএনজির মূল্য তাৎক্ষণিক বাজারদরে নয়, বরং আগের নির্দিষ্ট সময়ের গড় দামের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
অর্থাৎ মে মাসের আমদানির মূল্য নির্ধারিত হবে ১৬ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত গড় দামে।
একইভাবে জুনের জন্য হিসাব করা হবে মার্চ-এপ্রিলের গড় মূল্য ধরে, যে সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ছিল তুলনামূলক বেশি।

বিদ্যুতে বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের কাছে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর বিদ্যুৎ বিক্রির বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
কোম্পানিভেদে বর্তমানে সর্বনিম্ন ছয় থেকে সর্বোচ্চ ১৪ মাস পর্যন্ত বিল বকেয়া পড়েছে।
যার ফলে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এ বকেয়া অর্থের কারণে বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছে। একদিকে তারা জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না, অন্যদিকে ব্যাংক ঋণের চাপও বেড়ে চলেছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই বকেয়া সমস্যা শুরু হয়, যা ক্রমেই জটিল হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কিছু অর্থ পরিশোধ করা হলেও গত বছরের জুলাই থেকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ আবারো অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
বর্তমানে এ পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি বাড়তি ভর্তুকি চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বিপুল পরিমাণ এ বকেয়া আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত ভারত।
এ সংবাদে বলা হয়েছে, দিল্লি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা-নয়াদিল্লির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে উভয়পক্ষই দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা ধরে রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করেছে সফররত বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল।
তাদের প্রত্যর্পণের পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যা মামলার আসামিদের ফেরতের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তিতে থাকা প্রক্রিয়া অনুযায়ী হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরানোর বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার সংবাদ— ডিজেল সার সরবরাহ ও গঙ্গাচুক্তি নবায়ন চায় ঢাকা। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিজেল ও সার সরবরাহ বাড়ানোর জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
গতকাল বুধবার দিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সফরের সময় এ অনুরোধ করা হয়েছে। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে জানিয়েছে দিল্লি।
ড. খলিলুর রহমান দুই দিনের সফরে গত মঙ্গলবার রাতে দিল্লি পৌঁছান। সেদিনই তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন।
গতকাল বুধবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কূটনীতিকরা জানান, দুই দেশের আলোচনায় ভারত হয়ে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া, ভারতে রপ্তানি বাড়ানো এবং সেখান থেকে জরুরি পণ্য আনা সহজ করার বিষয়গুলো তোলা হয়েছে।
এর বাইরে অভিন্ন নদী গঙ্গার পানি বণ্টনের চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার প্রতিও ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা নিতে দেশটিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সেবা আগামী সপ্তাহগুলোতে সহজ করা হবে জানিয়েছে ভারতীয় পক্ষ।

লেবানন জ্বলছে, যুদ্ধবিরতিতে সংশয়— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও গতকাল বুধবার লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান।
এতে যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ।
এছাড়া, শান্তিচুক্তির জন্য পাকিস্তানে কাল শুক্রবার থেকে আলোচনা শুরু হচ্ছে, তা থেকে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আসবে কি না, সেটা-ও এখন বড় প্রশ্ন।
কারণ, একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির রূপরেখা নিয়ে দুই পক্ষ দুই মেরুতে অবস্থান করায় অনেক প্ৰশ্নই অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
এদিকে, এই যুদ্ধবিরতির খবরে এক দিনের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি কমেছে ১৮ মার্কিন ডলার। শেয়ারবাজারেও সূচকের উত্থান হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে ভিন্ন পথে বিএনপি।
এ খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা ও বিচারক নিয়োগের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করতে জাতীয় সংসদে বিল তুলেছে বিএনপি সরকার।
যদিও রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কারে নিজেদের ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দলটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতের কথা বলেছে দলটি।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার পর বিএনপির বর্তমান অবস্থান অনেকের কাছে অসংগতিপূর্ণ মনে হচ্ছে।
অধ্যাদেশ দুটি বাতিলের জন্য সংসদে বিল তোলায় বর্তমানে ক্ষমতাসীন বিএনপির বিরুদ্ধে আগের অবস্থান থেকে সরে আসার অভিযোগ উঠছে।
এর ফলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে— তাহলে কি আগের প্রতিশ্রুতিগুলো শুধুই রাজনৈতিক কৌশল ছিল?

দ্য ডেইলি স্টারের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— War fallout to slow growth, deepen poverty: WB; অর্থাৎ বিশ্ব ব্যাংক বলছে, যুদ্ধের প্রভাবে প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর, বাড়বে দারিদ্র।
এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের বড় ধাক্কা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়তে পারে বলে মনে করছে বিশ্ব ব্যাংক। যা বিদ্যমান দুর্বলতাগুলোকে আরও বাড়িয়ে দেবে।
যার ফলে দুর্বল প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দারিদ্র বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান হ্রাস এবং ঋণ বৃদ্ধির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট' বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থনীতির চাপে থাকার এ চিত্র ওঠে এসেছে।
বিশ্বব্যাংক ২০২৬ অর্থবছরের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা গত জানুয়ারিতে দেওয়া চার দশমিক ছয় শতাংশ থেকে কমিয়ে তিন দশমিক নয় শতাংশ নির্ধারণ করেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমা থেকে বের হয়ে আসতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ৫ লাখের বেশি মানুষের পরিস্থিতির উন্নতি হবে না বলে মনে করছে সংস্থাটি।
যুদ্ধের কারণে আরও অন্তত ৬ লাখ লোক কাজ হারাতে পারে।
এছাড়া, সামনে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত।
তবে বিশ্বব্যাংক একই সঙ্গে আশা দেখিয়েছে যে জরুরিভাবে সমন্বিত নীতি পদক্ষেপ নিয়ে এই বহুমাত্রিক সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব হতে পারে। এজন্য কয়েকটি সুপারিশও করেছে তারা।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— JS passes bill empowering govt to ban entities
এই খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ১৩টি বিল গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল' এবং 'সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল'।
এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ সংশোধন করে কোনো সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পাশাপাশি তাদের 'যাবতীয় কার্যক্রম' নিষিদ্ধ করার স্পষ্ট বিধান রেখে 'সন্ত্রাস বিরোধী সংশোধন বিল, ২০২৬' পাস হয়েছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১১ মে ওই সংশোধনী এনে 'সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি করা হয়েছিল।
পরদিন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করা হয়েছিল।
আর 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬' বিলে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তির দেওয়া হয়েছে।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদন— শিক্ষা খাতের ৪৩টি ক্ষেত্রে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
এই খবরে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে এই খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।
গতকাল বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান।
তারই অংশ হিসেবে নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।
ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা 'এডু-আইডি' প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় টেকিনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।









