পত্রিকা: 'বাংলাদেশ জ্বালানি সঙ্কটে ১ বিলিয়ন ডলার চাইবে আইএমএফের কাছে'

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার সংবাদ— বাংলাদেশ জ্বালানি সঙ্কটে ১ বিলিয়ন ডলার চাইবে আইএমএফের কাছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি খাতে বর্ধিত ব্যয় মেটাতে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) কাছে অন্ততপক্ষে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বাড়তি সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ।
আগামী ১৩ই এপ্রিল থেকে ওয়াশিংটনে শুরু হওয়া বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন সভায় এই সহায়তা চাওয়া হবে বলে জানা গেছে।
যদিও বর্ধিত এই ঋণ সহায়তা আইএমএফের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে।
কারণ, আইএমএফের সাথে চলমান এক ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে বেশ কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছিল।
তার মধ্যে কয়েকটি শর্ত ইতোমধ্যে পূরণ হলেও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভতুর্কি কমানো, রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং টাকা বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার শর্ত এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh seeks to refine Russian crude in India to diversify energy sources; অর্থাৎ জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের।
এই খবরে বলা হচ্ছে, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধন করে তা দেশে আমদানির লক্ষ্যে একটি চুক্তির পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।
এটিকে জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের জরুরি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করছেন কর্মকর্তারা।
ইরান যুদ্ধে অস্থিরতার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এখনো অস্থির রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।
এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই ঘটনায় বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর জ্বালানি আমদানির ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পাশাপাশি সরকার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গেও নতুন একটি উদ্যোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আওতায় দেশটির রিফাইনারিগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল শোধন, এলপিজি টার্মিনাল স্থাপন এবং এলপিজি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে ২০-৩০%।
এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের চাপ থাকায় নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে জ্বালানি খাত।
এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে।
খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকটের কারণে পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
পোশাক কারখানা মালিকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে কারখানাগুলোয় প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা কর্মসময়ের মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত।
পোশাক কারখানাগুলোয় জ্বালানির ব্যবহার হয় মূলত দুটি কারণে।
প্রথমত, লোডশেডিংয়ের কারণে বিকল্প হিসেবে জেনারেটর চালাতে হয়, যার জন্য প্রয়োজন হয় ডিজেল।
দ্বিতীয়ত, গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক না থাকলে ক্যাপটিভ পাওয়ার ব্যবস্থায় জেনারেটর চালু করতে হয়, সেখানেও ডিজেলের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ঋণনির্ভরতা বাড়ছে, আর্থিক সংকটে নতুন সরকার— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন চাপে থাকা অর্থনীতি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে নতুন করে সংকটে পড়েছে।
এমনিতেই সরকারের রাজস্ব আয়ে রয়েছে বড় ঘাটতি। আয় যা হচ্ছে, তার পুরোটাই চলে যাচ্ছে পরিচালন ব্যয়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ যাচ্ছে সুদ পরিশোধে।
তার মধ্যেই বিশ্ব বাজারে দর বৃদ্ধির প্রভাবে শুধু বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে গত মার্চ থেকে আগামী জুন পর্যন্ত সময়ে সরকারের অতিরিক্ত খরচ হবে ৩৯ হাজার কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে দায়িত্ব নিয়েই আর্থিক সংকটে পড়েছে সরকার। এজন্য বেশি বেশি ঋণও করতে হচ্ছে।
ইতোমধ্যে চলতি অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে সরকার। এখন বিদেশি উৎস থেকে ৩১৫ কোটি ডলার ঋণের চেষ্টা করছে।
যদিও নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে সুদহার কমাবে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে, এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছিল।
সুদহার কমানোর জন্য একটি বৈঠকও ডাকেন নতুন গভর্নর।
তবে যুদ্ধের কারণে শেষ পর্যন্ত সেই বৈঠক আর হয়নি। আপাতত যুদ্ধবিরতি দিলেও খুব সহসা সংকটের সমাধান হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ফলে সুদহার কমবে না।

আরও ৫ থেকে ৬ সপ্তাহ উচ্চ সংক্রমণের শঙ্কা— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি। এই খবরে হামের প্রকোপের কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, উচ্চমাত্রায় সংক্রমণশীল হামের প্রকোপ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশে ক্রমে বেড়েই চলেছে।
এ কারণে বর্তমান সংক্রমণপ্রবণতা আরও এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সংক্রমিত শিশুদের সঠিকভাবে বিচ্ছিন্ন রেখে (আইসোলেশন) চিকিৎসা দিলে এবং সুস্থ শিশুদের টিকার আওতায় আনা গেলে সংক্রমণের গতি কমতে এক-দেড় মাস বা তার কিছু বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ সতর্ক করে বলেছেন, 'বর্তমানে সংক্রমণ যেভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে শনাক্ত হওয়া প্রতিটি রোগীর বাইরেও একই সময়ে আরও সংক্রমিত থাকতে পারে। তাদের লক্ষণ পরে প্রকাশ পাবে। ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ডের কারণে ধাপে ধাপে নতুন রোগী সামনে আসে।'
এছাড়া, টিকাদান শুরু হলেও শিশুর শরীরে পূর্ণমাত্রায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে দুই থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। ফলে সংক্রমণের এ ধারা আরও কিছু সময় চলতে পারে বলে মনে করছেন এই চিকিৎসক।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি সংবাদ— যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পাকিস্তানে সংলাপের প্রস্তুতি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও লেবাননে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। তাতে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
তার মধ্যেই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে তেহরান-ওয়াশিংটন সংলাপ সংলাপ শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার।
এরই মধ্যে শান্তিপ্রক্রিয়া ভেস্তে যায় কি না, সে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
কারণ, ইরানের যে ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংলাপ শুরু হওয়ার কথা, তার তিনটি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিও পুরোপুরি চালু হয়নি।
এদিকে, 'লেবাননের আহ্বানের' পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
অবশ্য তার এমন বক্তব্যের পরপরই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়ে দেন, 'যুদ্ধ থামবে না'।

পুরনো পথেই বিচারালয়— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের আপত্তির মুখেই গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা তিনটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে জাতীয় সংসদ।
আলাদা দু'টি বিল পাসের মাধ্যমে এসব অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়।
এই বিল পাসের ফলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের জন্য আলাদা কোনো আইন থাকছে না। সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইনগত ভিত্তিও থাকছে না।
অর্থাৎ অধ্যাদেশগুলো বাতিল হওয়ায় ফের পুরনো ধারায়ই ফিরে যাচ্ছে বিচার বিভাগ।
এ নিয়ে বিচার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। হতাশা প্রকাশ করেছেন আইনজ্ঞরাও।

দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন— ইত্তেফাকের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা), স্থানীয় সরকার (উপজেলা) সংশোধনী বিল পাশ হয়েছে।
তাতে এসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোট করার পথ বন্ধ হলো।
পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ), স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধনী বিলেও দলীয় প্রতীক থাকছে না।
অন্তর্বর্তী সরকারের আনা অনেকগুলো অধ্যাদেশ পাশ হয়েছে এদিন। আবার কিছু বাতিলও হয়েছে। বিশেষ করে বাতিল হওয়া মানবাধিকার কমিশন ও বিচার বিভাগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো এর মধ্যে উল্লেখেযোগ্য।
এদিকে, এইদিন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বিল পাশের সময় জামায়াতের ইসলামী বিরোধিতা করলেও তাদের জোটবদ্ধ নতুন দল এনসিপি তাতে সমর্থন জানিয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— Next year's budget may cross Tk 9,00,000cr।
এতে বলা হচ্ছে, আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার নয় লাখ কোটি টাকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কারণ, সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ আংশিকভাবে বাস্তবায়ন এবং চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আজ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বাজেটের প্রাথমিক কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
নয়া প্রশাসন উল্লেখযোগ্য বাজেট সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার প্রাথমিক প্রস্তাব নয় লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। যা বাজেটের আকার বৃদ্ধিতে সাম্প্রতিক ইতিহাসে বড় লাফ।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যা পরে কাটছাঁট করায় সংশোধীত বাজেটে এর আকার দাঁড়ায় সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

কালের কণ্ঠের প্রধান খবর— দ্রব্যমূল্যে অস্থির জনজীবন।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে মুরগি, ভোজ্যতেল, চিনি, এলপিজি, সবজিসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
তাই বাধ্য হয়ে অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনছেন, আবার কেউ কেউ তুলনামূলক কম দামি পণ্যে ঝুঁকছেন।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ অনিশ্চয়তা ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার প্রভাবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়ায় পণ্যের সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে।
ফলে মুরগি, সবজি, চিনি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Abu Sayeed Murder: Two cops sentenced to death, three jailed for life; অর্থাৎ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় পুলিশের দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন।
এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পুলিশের সাবেক দুই সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক এক সহকারী কমিশনারসহ অপর তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন গ্রেফতার থাকা সাবেক সহকারী পুলিশের উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিনজন হলেন রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক এসি মো. আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম ও সাবেক উপ-পরিদর্শক বিভূতিভূষণ রায়। এই তিনজনই পলাতক।
এছাড়া, বেরোবির সাবেক উপাচার্য, কয়েকজন শিক্ষক, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাসহ ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গতকাল বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।
তবে, রায়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম।









