হিলারি ক্লিনটন সম্পর্কে পাঁচটি অজানা তথ্য

Published
নিউ ইয়র্কের প্রাইমারিতে বিজয়ী হিলারি ক্লিনটন। পাশে স্বামী বিল এবং কন্যা চেল্‌সি।
ছবির ক্যাপশান, নিউ ইয়র্কের প্রাইমারিতে বিজয়ী হিলারি ক্লিনটন। পাশে স্বামী বিল এবং কন্যা চেল্‌সি।

* তার কোডনেম ছিল `এভারগ্রিন`

হোয়াইট হাউজের দিনগুলিতে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস দেহরক্ষীরা মিসেস ক্লিনটনের জন্য যে কোডনেম নির্ধারণ করেছিল তার নাম ছিল `এভারগ্রিন` বা চির-সবুজ।

প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের কোডনেম ছিল `ঈগল`।

হিলারি ক্লিনটন ১৯৯৩ সালে ফার্স্ট লেডি হন।
ছবির ক্যাপশান, হিলারি ক্লিনটন ১৯৯৩ সালে ফার্স্ট লেডি হন।

* গ্র্যামি পুরষ্কার বিজয়ী হিলারি

১৯৯৭ সালে হিলারি ক্লিনটন আমেরিকার সেরা সঙ্গীত পুরস্কার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন।

এটা ছিল নন-মিউজিক্যাল ক্যাটেগরিতে।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড হাতে হিলারি।
ছবির ক্যাপশান, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড হাতে হিলারি।

`ইট টেকস আ ভিলেজ` শিরোনামে হিলারি ক্লিনটনের লেখা বইটির অডিও সংস্করণ এই ক্যাটেগরিতে বিজয়ী হয়।

বইয়ের মূল বিষয় ছিল শিশুদের বৃদ্ধি এবং শিক্ষা। মিসেস ক্লিনটন বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন।

* রাজনৈতিক পদের লড়াইয়ে প্রথম ফার্স্ট লেডি

হিলারি ক্লিনটন ২০০০ সালে নিউ ইয়র্কের সিনেটার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীটা করেন এবং বিজয়ী হন।

২০০৬ সালে একই পদের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পুনর্নিবাচিত হন।

হিলারি ক্লিনটন ২০০০ সালে মার্কিন সিনেটে যোগদান করেন।
ছবির ক্যাপশান, হিলারি ক্লিনটন ২০০০ সালে মার্কিন সিনেটে যোগদান করেন।

* রডহ্যাম, ক্লিনটন, নাকি রডহ্যাম ক্লিনটন?

হিলারি রডহ্যাম ১৯৭৫ সালের অক্টোবর মাসে যখন বিল ক্লিনটনকে বিয়ে করেন, তখন পশ্চিমা দেশের প্রথামত তিনি স্বামীর পদবী গ্রহণ করেননি।

তবে কিছুদিন পর বিল ক্লিনটন যখন রাজনৈতিক পদ গ্রহণ করেন তখন মিসেস ক্লিনটনের নাম হয় হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন।

তবে গত বছর নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হিলারি ক্লিনটন নামেই তিনি পরিচিত হতে চান।

* ১৯৯৬ সালের পর থেকে গাড়ি চালাননি

নিউ অর্লিয়েন্সে ২০১৪ সালে ন্যাশনাল অটোমোবিল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সম্মেলনে হিলারি ক্লিনটন জানান, ১৯৯৬ সালের পর থেকে তিনি গাড়ি চালাননি।

১৯৯৬ সাল থেকেই তিনি শোফার চালিত গড়িতে চলেন।
ছবির ক্যাপশান, ১৯৯৬ সাল থেকেই তিনি শোফার চালিত গড়িতে চলেন।

মূলত তার জীবনযাপনে ধারায় তাকে আর কখনোই নিজের হাতে গাড়ি চালাতে হয়নি।

তার জন্য সবসময়ই ড্রাইভার ছিল। আর এ জন্য তার মনে খুবই দু:খ।