পত্রিকা: 'প্রশাসনে বদলি পদায়ন ও নিয়োগ নিয়ে তালগোল'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধান, এসপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বদলি, পদায়ন কিংবা নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পর বিতর্কের মুখে দুই মাসে অন্তত ১৫ জনকে প্রত্যাহার করছে সরকার।

বাছাই প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, তথ্যের ঘাটতি আর তাড়াহুড়া করে প্রজ্ঞাপন দেওয়ায় এসব ঘটনা ঘটছে। এতে বিব্রত হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর আলোচনা বা অন্যভাবে প্রভাবিত হয়ে নিয়োগ বাতিলের নজিরও রয়েছে।

এছাড়া, গত ২৬ই এপ্রিল ১৫ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অধিদপ্তর-সংস্থার প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তাদের মধ্যে অন্তত সাত কর্মকর্তা বদলির আদেশ না মানার ধৃষ্টতাও দেখিয়েছেন।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও এমন ঘটনা ঘটেছিল। ফলে পুরো প্রশাসনে ছিল অস্থিরতা। এসব কারণে সেই সময় আন্দোলনও করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জনপ্রশাসন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রজ্ঞাপন হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে তা বাতিল করলে সরকারের দুর্বলতা দৃশ্যমান হয়। এতে তৈরি হয় প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা। কর্মকর্তাদের মধ্যে দলাদলিও বাড়ে।

এজন্য ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে বলে মনে করছেন তারা। যেন পদায়ন বা নিয়োগের পর সমালোচনা হলেও পরিবর্তন করা না লাগে।

সমকাল

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— সুরক্ষিত হচ্ছে চাকরি- সুবিধা

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের চাকরি সুরক্ষা ও তাদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এ জন্য একটি সমন্বিত 'বেসরকারি সার্ভিস রুলস' প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শ্রম আইনকে ভিত্তি ধরে এই রুলস বা বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

এই বিধিমালা হলে বেসরকারি খাতের চাকরিতে ন্যূনতম বেতন ও স্থায়ী নিয়োগপত্র প্রাপ্তি, ছুটির অধিকার, অযৌক্তিক চাকরিচ্যুতি ও হয়রানি বন্ধ, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ বৈষম্য দূর হওয়া ছাড়াও নিয়োগের শর্তানুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরি হবে।

ক্ষমতাসীন দল বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ উদ্যোগ নিচ্ছে। দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের ইশতেহারে বলেছিল, বেসরকারি চাকরিজীবীরা যাতে প্রাপ্য ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য বেসরকারি সার্ভিস রুল প্রণয়ন করা হবে।

আজকের পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Govt plans higher value-addition for exports

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত উপকরণের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পিছিয়ে থাকা শিল্পগুলোর উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে নতুন আমদানি নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পণ্যে রপ্তানিকারকদের আরও বেশি মূল্য সংযোজন করতে হতে পারে, যা অন্তত ৫০ শতাংশ।

আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর খসড়ায় দেখা গেছে, আমদানিকৃত কাঁচামাল থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম মূল্য সংযোজন ব্যাপকভাবে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে কাঁচামাল আমদানি করে শিশুদের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত রয়েছে। নতুন আমদানি নীতি আদেশে যা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে কটন ও ম্যান-মেইড ফাইবার দিয়ে তৈরি সব ধরনের নিট ও ওভেন পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রেও ন্যূনতম মূল্য সংযোজনের হার ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো রপ্তানিকারক এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে তারা কোনো নগদ প্রণোদনা এবং কাঁচামাল আমদানির ওপর শুল্ক সুবিধা পাবে না।

এই খসড়া নীতি চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির। নতুন নীতি কার্যকর হলে তা ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

বণিক বার্তার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— স্বল্পব্যয়ে শিক্ষার খোঁজে মাদরাসায় ঝুঁকছে ঢাকার নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় মোট প্রাথমিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭১, যা দেশের সব জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ।

এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে মাত্র দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৭৫ জন। বাকিদের নির্ভর করতে হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর।

শিক্ষার্থী সংখ্যায় শীর্ষে থাকলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যায় তুলনামূলক পিছিয়ে ঢাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচ হাজার ২৫০টি। এর মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চার হাজার ২৯৯, অর্থাৎ মোট প্রতিষ্ঠানের ৮১ দশমিক ৮৯ শতাংশই বেসরকারি।

ঢাকা মহানগরীতে দেখা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিন্ডারগার্টেন বা মাদরাসার হার উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে খরচ অনেক বেশি।

এ অবস্থায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদেরকে মাদরাসায় ভর্তির দিকে ঝুঁকছেন।

তাদের ভাষ্য, কিন্ডারগার্টেনে পড়ানোর সামর্থ্য নেই, সরকারি বিদ্যালয়ও বেশ দূরে। মাদরাসায় কম খরচে ধর্মীয় শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা দুটোই মিলছে।

বণিক বার্তা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Measles outbreak: Unicef warnings fell on deaf ears; অর্থাৎ হামের প্রাদুর্ভাব: ইউনিসেফের সতর্কবার্তা কানে নেয়নি কেউ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, টিকা সংকটে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে অন্তর্বর্তী সরকারকে লিখিত এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বেশ কয়েকবার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ।

গতকাল ঢাকায় নিজেদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি এ বিষয়ে পাঁচ থেকে ছয়টি চিঠি দেয় এবং ১০টি বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা করেছে।

এতে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, কোনো মহামারি রাতারাতি ঘটে না। কিছু বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ রকম পরিস্থিতি দেখা দেয়। যেগুলো খতিয়ে দেখতে হবে এবং সঠিক পর্যালোচনা করতে হবে। পরবর্তীতে এমনটা যেন না ঘটে নিশ্চিত করতে হবে।

জাতিসংঘের সংস্থাটি এমন সময়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে, যখন কি না সাম্প্রতিককালে এক নজিরবিহীন হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে ৪৮১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার বহু বছর ধরে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ইউনিসেফের মাধ্যমে হামের টিকা সংগ্রহ করতো, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনার সিদ্ধান্ত নেয়; যার ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব হয়।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Sexual Harassment: Prevention bodies in most edn instts non-functional; অর্থাৎ অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি অকার্যকর।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব, কম সংখ্যক ঘটনায় রিপোর্ট হওয়া এবং সামাজিক ট্যাবু বা কুসংস্কারের কারণে সারাদেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিগুলো অকার্যকর থেকে গেছে।

এমন অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেই চলেছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে না।

২০০৯ সালের ১৪ই মে হাইকোর্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আদেশ পাঠায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় এই কমিটি রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যৌন হয়রানির কোনো পরিসংখ্যান দিতে পারেননি।

আরও যন্ত্রণাদায়ক বিষয় হলো, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, হাইকোর্টের নির্দেশনাটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়।

গবেষক, অধিকারকর্মী ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন যে, কুসংস্কারের কারণে যৌন হয়রানির বেশিরভাগ ঘটনাই অপ্রকাশিত থেকে যায়।

তারা আরও বলেন, দুর্বল নজরদারি, কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের জন্য আইনের অনুপস্থিতিই এই কমিটিগুলোর অকার্যকরতার প্রধান কারণ।

নিউ এইজ

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— বসুন্ধরা যেন রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করে গেজেট প্রকাশিত হয়।

তবে আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই এলাকায় সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ দেখা যায়নি।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ৭ই মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এখন পর্যন্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বসুন্ধরা গ্রুপের হাতে।

এখানকার জমির মালিক, ফ্ল্যাটমালিক, ভাড়াটে, আবাসন ব্যবসায়ী, জমির ক্রেতা ও কেনাবেচার মধ্যস্থতাকারীর অনেকে বলেছেন, সেখানে নিজেদের মতো করে নিয়ম তৈরি করে বসুন্ধরা গ্রুপ।

এলাকাটিতে ব্যক্তিমালিকের কাছ থেকে কেউ জমি কিনলে বসুন্ধরা গ্রুপের আবাসন কোম্পানিকে কাঠাপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা বাড়তি দিতে হয়, যা জমির দাম ও সরকার নির্ধারিত করের বাইরে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে এই টাকার পরিমাণ ছিল কাঠাপ্রতি ১০ লাপ্খিথ।

বসুন্ধরার 'অনুগত' মালিক সমিতি বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ফ্ল্যাটমালিকদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জও আদায় করে। আরও নানাভাবে টাকা নেওয়া হয় ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের কাছ থেকে।

নগর-পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খানের মতে, বসুন্ধরা এলাকা এত দিন পর্যন্ত যে সিটি করপোরেশনের আওতার বাইরে আছে, সেটা আইনের পরিপন্থি ও বিস্ময়কর।

প্রথম আলো

এতে বলা হয়েছে, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের পাইকারি দাম প্রতি ইউনিটে এক টাকা ২০ পয়সা থেকে এক টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

প্রস্তাবের ওপর গতকাল বুধবার গণশুনানি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এতে অংশ নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

এদিকে, শুনানিতে অংশ নিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিটে ১৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ।

এ দুই প্রস্তাব কার্যকর হলে শেষ পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদ

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আইনি সংশোধনীর কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল প্রার্থী তালিকাও ঘোষণা করেছে।

জাতীয় নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিতব্য নির্দলীয় এই নির্বাচন দেশব্যাপী রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটিতে তৃণমূলে আরো ব্যাপকভিত্তিক গণসংযোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের।

তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে কি না এ নিয়ে বিরোধী দলগুলো তাদের সংশয় প্রকাশ করছে।

নয়া দিগন্ত

ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কঠোর কড়াকড়িতে খুবই কম ঋণ পাচ্ছেন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা।

গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড সবচেয়ে কম ঋণ পেয়েছে বেসরকারি খাত। এ সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র চার দশমিক ৭২ শতাংশে এসে ঠেকেছে।

যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। অবশ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক দুই দশকের বেশি তথ্য সংরক্ষণ করে না।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, বিনিয়োগ স্থবিরতা, ব্যাবসায়িক আস্থার ভাঙন এবং নীতিগত অনিশ্চয়তায় বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর রাজনৈতিক চাপ কিছুটা কমলেও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়নি।

বরং উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি, নীতিগত অস্পষ্টতা ও জ্বালানিসংকট একসঙ্গে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহ করছে। তবে সবচেয়ে বড় কারণ হলো উচ্চ সুদের হার।

কালের কণ্ঠ