আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ঝড়-বৃষ্টি, ভোগান্তি আর দুর্ঘটনার মাঝেও ঈদে ঘরে ফেরার চেষ্টা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি, পথে-ঘাটে জলাবদ্ধতা, পরিবহন সংকট, বাড়তি ভাড়া, দুর্ঘটনার ঝুঁকি – সবকিছু উপেক্ষা করে প্রতিবারের মতো এবারও পরিবারের সাথে ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।
কেউ বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাসে, কেউ ট্রেনে, কেউ কেউ আবার যাতায়াত খরচ কমাতে খোলা ট্রাক বা পিকআপে করেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ভিজতে ভিজতে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন বা হচ্ছেন।
এর মধ্যেই বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। সড়ক অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২১ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত দেশে ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬১ জন নিহত এবং ৩৮৯ জন আহত হয়েছেন।
ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খরচ বাঁচাতে অনেক মানুষ ঝুঁকি নিয়েই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছেন।
ইতোমধ্যে অনেক মানুষ বাড়ি পৌঁছে গেলেও অনেকে এখনো ঢাকায় আছেন। ছুটি পেলেও বৃষ্টি ও দুর্ভোগের কারণে তারা রওনা হতে পারেননি। তাদের অনেকেই আজ বাড়ি যাবেন।
End of এ নিয়ে আরও পড়তে পারেন...
বৃষ্টিতে ঈদ যাত্রা, কেমন থাকবে আবহাওয়া?
ঈদুল আযহা ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান দু'টি উৎসবের একটি।
আরবি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখ কোরবানির দিন ও পরবর্তী দুই দিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিভিন্ন পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন।
সে হিসেবে এ বছর বাংলাদেশে ঈদুল আযহা পালিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার, ২৮শে মে।
কিন্তু বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই গত কয়েকদিন ধরে হালকা থেকে মাঝারি কিংবা কখনো বা ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বিশেষ করে গত ২৪শে মে থেকে।
আর, এর পরই ঈদুল আযহা উপলক্ষে সরকারি ছুটিও শুরু হয়েছে। তাই, পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের ছুটি কাটাতে অনেকেই ছুটেছেন বাড়ির পথে।
ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসেছে। তাই, স্বভাবতই এই হঠাৎ বৃষ্টি পশু ক্রেতাদের দুর্ভোগও বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকটা।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার, ২৭শে মে সকাল ৯টায় আগামী পাঁচ দিনের একটি আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ঈদের দিন সকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
যেমন– ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে, সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া অফিস।
তবে ঈদের দিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং হালকা থেকে মাঝারি বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশাল ও চট্টগ্রামের কিছু কিছু জায়গায়ও এটি হতে পারে।
এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিবিসি বাংকে বলেন, ঢাকায় আজ সকাল ৯টার পর থেকে বৃষ্টি থেমে গেছে। আরও ছয় থেকে আট ঘণ্টা এই অবস্থা চলতে পারে এবং রাতের দিকে আবার কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে।
তিনি জানান, আজ ভোলা, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজারসহ কিছু এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু আগামীকাল দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি কম হবে।
তবে ঈদের দিন যেখানেই বৃষ্টি হোক, তা ওই ৩০-৪০ মিনিট বা এক ঘণ্টা পর থেমে যাবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ঈদের পরদিনও দেশের অনেক স্থানে বৃষ্টি হবে।
লম্বা ছুটিতে অনেকেই আগে চলে গেছেন
ঈদুল আযহা উপলক্ষে এবার বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি খাত বাদে বাকিদের জন্য গত ২৫শে মে থেকে আগামী ৩১শে মে পর্যন্ত টানা সাত দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
যেমন– জরুরি পরিষেবা হিসেবে গণ্য বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, বেসরকারি শিল্প ও কলকারখানা, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা সহ আরও অনেকেই এই ছুটি পাননি।
কিন্তু যারা পেয়েছেন, তাদের অনেকেই ২৪শে মে রাতেই কিংবা পরদিন প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেই ঢাকা ছেড়েছেন। আবার গার্মেন্টস কর্মীসহ অনেক বেসরকারি অফিসের কর্মীরা ঈদের এক বা দুইদিন আগে ছুটি পেয়েছেন এবং তারা হয় গতকাল গিয়েছেন, বা আজ যাবেন।
সাধারণ ঈদের সময়ে ঢাকা ও এর আশেপাশের যেসব স্থানে সবচেয়ে বেশি যানজট দেখা যায়, তার মাঝে অন্যতম হলো‒ গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট।
এর বাইরে রয়েছে ঢাকার অদূরে অবস্থিত গার্মেন্টস অধ্যুষিত এলাকা সাভার।
এসব এলাকার স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংবাদিক এবং যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আজ তুলনামূলকভাবে সড়কে, নৌপথে, রেলপথে মানুষের ভীড় কম।
কারণ হিসাবে তারা বলছেন, এবার কোরবানিতে লম্বা ছুটি পড়ায় মানুষ একসাথে না গিয়ে ধাপে ধাপে ঢাকা ছেড়েছেন। সেকারণে সড়কে যাত্রীদের চাপ অনেকটাই কম।
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা আছে এবং এগুলোর একটি বড় অংশের অবস্থান সাভারে। এসব কারখানায় লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করেন।
সাভারের স্থানীয় সাংবাদিক এবং শিল্প পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওই এলাকার বেশিরভাগ কারখানাই গত পরশু, অর্থাৎ ২৫শে মে ছুটি হয়েছে। বাকী যেসব গার্মেন্টস রয়েছে, সেগুলোও গতকাল ছুটি দিয়ে দিয়েছে। তাই, গার্মেন্টস কর্মীরা ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরে গেছেন।
"যারা যাওয়ার ওই দুই দিনে চলে গেছে। তবে এখনও অনেকে আছেন, যারা বৃষ্টির কারণে গতকাল রাতে যেতে পারেনি। এমনকি সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় সকালেও যেতে পারেনি। এখন বৃষ্টি কমে গেছে। ধারণা করা যায়, দুপুরের পর থেকে বাকীরা বাড়ির পথে রওনা হবেন," আজ বেলা ১২টার দিকে বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন সাভারের স্থানীয় সাংবাদিক সেলিম আহমেদ।
তীব্র যানজট কমেছে, সড়কে ধীর গতি
স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কলকারখানাগুলো ছুটি হওয়ায় গতকাল সন্ধ্যা থেকে সাভারের নবীনগর থেকে বাইপাইল হয়ে শ্রীপুর পর্যন্ত তীব্র যানজট ছিল।
কিন্তু আজ সকাল থেকে ওই এলাকার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে মানুষের উপচে পড়া ভীড় নেই। তবে এখনো কোথাও কোথাও যানজট বা ভীড় রয়েছে।
একই ধরনের চিত্র গাজীপুরেও। ঢাকার নিকটবর্তী এই জেলার স্থানীয় সাংবাদিক আরিফ খান আবির বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল কিছুটা ধীরগতির। কিন্তু কোথাও মানুষের উপচে পড়া ভীড় নেই এখন।
তার বর্ণনা অনুযায়ী, আজ সকালেও গাজীপুরের চন্দ্রাতে যান চলাচল কিছুটা ধীরগতির ছিল।
আজ, ঈদের আগের দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উত্তবঙ্গগামী মানুষের কিছুটা ভীড় দেখা গেলেও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সেই তুলনায় কোনো ভীড় নেই বলে তার মত।
দক্ষিণবঙ্গের যারা সড়ক পথে যেতে চান, তাদেরকে মুন্সিগঞ্জের ওপর দিয়ে যেতে হয়।
সেখানকার স্থানীয় সাংবাদিক সুমিত সরকার বিবিসি বাংলাকে বলেন, তিনি আজ মাওয়া গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে তিনি যানজটের কোনো ভোগান্তি দেখেননি।
তার মতে, এবার মানুষ লম্বা ছুটি পেয়েছে বলে আগে-ভাগেই চলে গেছে। সেইসাথে, টোল কর্তৃপক্ষ, হাইওয়ে পুলিশ, বিজিবি, জেলা পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার এখন একেবারেই নিরিবিলি। আর এদিকে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় গতকাল এক কিলোমিটারের মতো দীর্ঘ যানজট ছিল, তার আগের দিন ছিল দুই কিলোমিটার। কিন্তু আজ তেমন কোনো বিষয় নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আজ দুপুর সোয়া ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ কিছু নদীবন্দরের জন্য এক নম্বর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
তাতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
সদরঘাটের পরিবহন পরিদর্শক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে সদরঘাট থেকে।
তিনি জানান, অন্যান্য রুটের যাত্রী কম এখন। বিশেষ করে এক থেকে ১৮ নং পন্টুনে খুব একটা ভীড় নেই। আজ ভীড় হলো ১৯-২০ নং পন্টুনে, চাঁদপুরের যাত্রী বেশি।
এছাড়া, টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকার বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশনে গতকাল পর্যন্ত ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
বাড়তি ভাড়ার দায়ে ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফেরা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জন ছুটি কাটাতে ট্রাকে করে চট্টগ্রাম থেকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি ফিরছিলেন।
মূলত, যাতায়াত খরচ কমানোর জন্যই তারা এভাবে ভ্রমণ করছিলেন।
ওই ট্রাকের যাত্রীরা তখন গণমাধ্যমে বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহীর বিভিন্ন জেলায় বাসের ভাড়া ছিল জনপ্রতি ১৭০০-১৮০০ টাকা। অথচ ট্রাকে ভাড়া ছিল জনপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা।
তবে মানুষ এখনও একইভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। গাজীপুরের স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গণপরিবহণের ১০০ টাকার বাড়া বেড়ে কয়েকগুণ হয়েছে। সেকারণেই নিম্ন আয়ের মানুষ বাধ্য হয়ে ভিজে ভিজে ট্রাকে করে কম টাকায় বাড়ি ফিরছেন।
সাভারের চিত্রও একই। সেখানকার স্থানীয় সাংবাদিক সেলিম আহমেদ জানান, পুলিশ বক্সের সামনে থেকেই মানুষ এখন খোলা ট্রাকে উঠছেন, বাড়ি ফিরছেন।
সড়ক অব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ বলছে ঈদযাত্রা শুরু থেকে এ পর্যন্ত (২১শে মে থেকে ২৬শে মে পর্যন্ত) ১৩৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬১ জন নিহত ও ৩৮৯ জন আহত হয়েছেন।
তারপরও মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে বাড়ি যাচ্ছেন, কারণ ঢাকাসহ সারাদেশের সিটিসার্ভিস ও দুরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে – বলছে সংগঠনটি।
তাদের হিসেবে, এবারের ঈদে সারাদেশে দুরপাল্লায় প্রায় সাড়ে আটশ রুটের মধ্যে মাত্র ২৭ টি রুট পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে ২৬ টি রুটে দুই লাখ ৩৪ হাজার যাত্রীর কাছ থেকে পাঁচ কোটি ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে।
মূলত, এই কারণেই বাসের ছাদে, ট্রেনের ছাদে, পণ্য বোঝাই ট্রাকে, খোলা ট্রাকে স্বল্প ভাড়ায় যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ – এমনটাই পর্যবেক্ষণ সংগঠনটির।
এর আগে, এই সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকেও বলেছেন, "এখন বাসে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে।"
তিনি তখন সড়ক দুর্ঘটনার মূল দায় মালিক সমিতিকে দিয়েছেন। কারণ, "ঈদের আগে মালিক সমিতি বলেছিল, তারা ঈদের সময় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করবে না'।"