লিজ ট্রাস: অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবেলায় সাহসী পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিলেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী

১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে লিজ ট্রাসের প্রথম ভাষণ।
ছবির ক্যাপশান, ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে লিজ ট্রাসের প্রথম ভাষণ।
Published

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার প্রথম বক্তৃতায় লিজ ট্রাস দেশের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলির মোকাবেলায় একটি সাহসী পরিকল্পনা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে দাঁড়িয়ে মিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে ব্রিটেন মারাত্মক এক বৈশ্বিক বাধার মুখোমুখী হয়েছে।

কিন্তু তিনি যোগ করেন যে এই ঝড় থেকে ব্রিটেন যে বেরিয়ে আসতে পারবে তাতে তিনি নিশ্চিত।

তাঁর বক্তব্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জন্য তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন - কর কমানো, জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি রোধে পদক্ষেপ এবং স্বাস্থ্যসেবায় সবার সুযোগ তৈরি করা।

ব্রিটেন স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে লড়বে যাবে বলেও প্রধানমন্ত্রী ট্রাস অঙ্গীকার করেন।

আরও পড়তে পারেন:

ব্যালমোরাল প্রাসাদে রানি এলিজাবাথের সাথে লিজ ট্রাসের সাক্ষাৎ।
ছবির ক্যাপশান, ব্যালমোরাল প্রাসাদে রানি এলিজাবাথের সাথে লিজ ট্রাসের সাক্ষাৎ।

এর আগে ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথ ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির নতুন প্রধান লিজ ট্রাসকে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এর মাধ্যমে দু'মাসের এক অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অবসান ঘটে, যেটি শুরু হয়েছিল একাধিক কেলেঙ্কারির জেরে, যখন বরিস জনসনকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

দায়িত্বভার গ্রহণের আগে মিজ ট্রাস স্কটল্যান্ডে রানির ব্যক্তিগত বাসভবন ব্যালমোরাল প্রাসাদে গিয়ে দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে দেখা করেন।

ইউরোপে যুদ্ধ এবং দেশে গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যার পটভূমিতে লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার হাতে তুলে নেন।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সামনে স্বামী হিউ ও'লিয়ারির সাথে লিজ ট্রাস।
ছবির ক্যাপশান, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সামনে স্বামী হিউ ও'লিয়ারির সাথে লিজ ট্রাস।

এর আগে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও প্রথা অনুযায়ী ব্যালমোরাল প্রাসাদে গিয়ে রানির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

সেখান থেকে বেরিয়ে এসে এক বক্তৃতায় তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন করোনা মহামারি মোকাবেলা এবং ব্রেক্সিট চুক্তিসহ তার অর্জনগুলিকে তুলে ধরেন।

তবে যেসব কেলেঙ্কারির জন্য তিনি চাকরি খুইয়েছেন সে সম্পর্কে মি. জনসন কোনও কথা বলেননি।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর: