পশ্চিমবঙ্গে ঝড়ের তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

টুইটারে একজন এই ছবি শেয়ার করেছেন।

ছবির উৎস, TWITTER.COM/IAMINDRAD

ছবির ক্যাপশান, টুইটারে একজন এই ছবি শেয়ার করেছেন।
Published

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও আশেপাশের জেলাগুলোয় মঙ্গলবার রাতের দুই দফা কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কমপক্ষে ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গাছ ভেঙে, বাড়ি ধসে ও বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রাজ্যের দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

কর্মকর্তারা বলছেন, বজ্রপাতসহ ঝড়ের সাথে এতো বাতাসের গতি গত কয়েক দশকেও দেখা যায়নি।

কোলকাতা থেকে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানিয়েছেন, এদের মধ্যে অনেকেই গাছ ভেঙে পড়ায় এবং ভবন ধসে পড়লে মারা যান।

রাত ৮টার দিকে যখন সবাই অফিস শেষে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন, সেই সময় এই ঝড় শুরু হয়। প্রায় ৮০ থেকে ১শ কিলোমিটার বেগে ঝড়টি আঘাত হানে বলে তিনি জানান।

এসময় বিশালাকার গাছ উপড়ে পড়ায় বিভিন্ন স্থানে মেট্রো ট্রেন আটকা পড়ে। এতে মেট্রো পরিসেবা সাময়িক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুভোর্গে পড়েন সাধারণ মানুষ।

অনেককেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে ঘণ্টাব্যাপী অপেক্ষা করতে হয়। ব্যাঘাত ঘটেছে বিমান চলাচলেও। বেশিরভাগ ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরীতে ছেড়ে যায়।

আরো পড়ুন:

প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় কলকাতা, হাওড়া ও হুগলির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো। কয়েকটি এলাকা বিদ্যুতবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় থমকে যায় জনজীবন। আবহাওয়া দফতরের কাছে ঝড়ের পূর্বাভাস থাকলেও সেটি এতো শক্তিশালী হবে তারা সেই ধারণা দিতে পারেনি।

তবে এই তুমুল বৃষ্টিতেও তাপমাত্রা কমার কোন সম্ভবনা নেই, উল্টো স্বাভাবিকের চেয়ে দুই তিন ডিগ্রী বেশি হতে পারে বলে পুর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার রাজ্যের সবোর্চ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

তবে আজ রাজ্যের আকাশ মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানা গেছে।