র্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। এটি এখন ভেটিং-এর জন্য লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে যাবে। এর আগে এর খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
লেজিসলেটিভ বিভাগে ভেটিং শেষে এটি বিল আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে এবং সেখানে পাশ হলে এটি আইনে পরিণত হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আইনটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো: বিদ্যমান র্যাবকে বিলুপ্ত করে পুলিশ বিভাগের অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠিত হবে।
এতে নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
র্যাব ২০০৪ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে পুলিশের বিশেষ বাহিনী হিসেবে গঠন করা হয়েছিল। শুরু থেকেই এই বাহিনীটির বিরুদ্ধে কথিত ক্রসফায়ারের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠতে থাকে।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ ধরনের অভিযোগে আরও অনেকে বেড়ে গিয়েছিল এবং কক্সবাজারের একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর এই বাহিনী এবং এর কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে করে র্যাবের বিলুপ্তি দাবি করেছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এসআরবি গঠনের জন্য প্রস্তাবিত আইনের যে খসড়া প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে বলা হয়েছিল- অন্য আইনে যাই থাকুক এই আইনের অধীনে তল্লাশি, আটক, জব্দকরণ ও গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে এই ইউনিটের একজন কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।