আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'টিকার অব্যবস্থাপনায় ১১ রোগের বিস্তার'
টিকার অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি ১৫টি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বন্ধ করায় ২৬টি রোগ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে; হামলার পর খুলেনি আক্রান্ত বেশিরভাগ মাজার; শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে ঢাকার অনুরোধ খতিয়ে দেখছে দিল্লি — এ সংক্রান্ত খবর শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং জ্বালানি সংক্রান্ত নানা খবরও রয়েছে।
সমকালের প্রধান সংবাদ— টিকার অব্যবস্থাপনায় ১১ রোগের বিস্তার
এই খবরে বলা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কেনাকাটা নিয়ে জটিলতার কারণে ১১টি রোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু টিকার সংকট তৈরি হয়। এতে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হয়।
পাশাপাশি ১৫টি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বন্ধ করার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আর তাতে দেশের স্বাস্থ্য খাতে রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
এদিকে, সংক্রামক ও অসংক্রামক মিলিয়ে অন্তত ২৬টি রোগ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এটি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
ছড়িয়ে পড়া রোগের মধ্যে রয়েছে হাম ও রুবেলা, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, হেপাটাইটিস, রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া), গর্ভকালীন জটিলতা, কালাজ্বর, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার, নারী ও প্রসূতি রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কৃমি, রাতকানা, টাইফয়েড, পোলিও, এইচআইভি, ডিপথেরিয়া, পাটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, চর্মরোগ, মানিসক স্বাস্থ্য সমস্যা, অন্ধত্ব।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— বেশির ভাগ দরগাহ-মাজার খোলেনি হামলার পর
এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের পাঁচই অগাস্ট থেকে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সুফিদের মাজার, দরগাহ, খানকার মতো স্থাপনা এবং ওরস, লালন মেলা, পালাগানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান-আয়োজনে ১৩৮টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে মাজার ও দরগায় ৯৯টি হামলা করা হয়েছে।
হামলার সময় মাজারে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মারধর ও লুটপাট চলেছে।
হামলার আগে সংশ্লিষ্ট মাজারে 'ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড চলে বলে প্রচার করা হয়েছে।
এসব হামলায় স্বয়ং একজন 'পীর'সহ চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত দেড় হাজার মানুষ। কোনো কোনো মাজারে কয়েকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি কবর থেকে মরদেহ তুলে পোড়ানোর মতো ঘটনাও ঘটেছে।
দেশের অস্থিরতা কমে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার আসার পরও মাজারে হামলার ঘটনা বন্ধ ঘটছে।
এসব হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মাজারগুলো আর খুলতে পারেনি তাদের কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের প্রায় পুরোটা সময় যত হামলা হয়েছে, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মামলা হয়নি।
যে কয়েকটি মামলা করা হয়েছে, তার তদন্তেও পুলিশের বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়নি।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ পড়ুন:
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার সংবাদ— ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে
এতে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে যে অনুরোধ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লি।
গতকাল শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দিল্লিতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আসা এই অনুরোধটি বর্তমানে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ভারত সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ইচ্ছার কথা-ও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলো নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কথা হচ্ছে, এমনটি জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উভয় পক্ষের বিস্তারিত মতামত ও অবস্থান জানতে শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Exemption cuts set to raise Tk50,000cr; অর্থাৎ করছাড় কমিয়ে রাজস্ব ৫০ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্তের প্রেক্ষাপটে আগামী বাজেটে আয়কর, স্থানীয় ভ্যাট (মূসক) ও কাস্টমস শুল্ক খাতে বিদ্যমান কর অব্যাহত একটি বড় অংশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সিডিউলভুক্ত এবং এসআরওর মাধ্যমে দেওয়া এসব অব্যাহতি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা মনে করছেন, এসব অব্যাহতি তুলে নিলে অতিরিক্ত প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে।
তবে অত্যাবশ্যকীয় কৃষিপণ্য এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ থাকা পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান অব্যাহতি এই প্রত্যাহার তালিকার বাইরে রাখা হতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
এ লক্ষ্য সামনে রেখে অব্যাহতির তালিকা পর্যালোচনায় তিনটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৩০০টি পণ্য ও সেবার ওপর নতুন করে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস ডিউটি আরোপ হতে পারে। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এনবিআরের সদস্য মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী জানালের, তিন থেকে চার বছরের মধ্যে কর অব্যাহতির সামগ্রিক পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— দক্ষতার ঘাটতি শিক্ষকদের, বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বাস্তবায়নে
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বর্তমান সরকারের ঘোষিত 'ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব' প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ট্যাবে থাকবে পাঠ পরিকল্পনার টেমপ্লেট, প্রশ্নব্যাংক এবং লার্নিং এভিডেন্স আপলোডের সুবিধা।
তবে এ উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব, এমনটা মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ডিজিটাল শিক্ষা ও একুশ শতকের দক্ষতা প্রয়োগে অনেক পিছিয়ে রয়েছেন দেশের শিক্ষকরা।
প্রায় ৬০ শতাংশ নিজেদের দক্ষ দাবি করলেও বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে তা প্রয়োগ করতে পারছেন কেবল এক-চতুর্থাংশ শিক্ষক।
প্রাথমিকের মতো দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদেরও।
ইউনেস্কো প্রকাশিত বিশ্ব শিক্ষা পরিসংখ্যানের প্রতিবেন অনুযায়ী, দেশের মাধ্যমিক স্তরে গড়ে ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হার মাত্র ৫৫ শতাংশ।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গঠিত দুটি পৃথক পরামর্শক কমিটিই তাদের প্রতিবেদনে দক্ষ শিক্ষক নিশ্চিতে যথাযথ প্রশিক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছিল।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে শঙ্কা— যুগান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি
এই খবরে বলা হয়েছে, পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশে হত্যাকাণ্ড বেড়েছে ১৪ শতাংশ।
এর মধ্যে গত বছরের প্রথম তিন মাসে সারাদেশে যথাক্রমে ২৯৪, ২১৭ ও ২৩৯টি হত্যা মামলা হয়েছে। আর চলতি বছরের তিন মাসে এই সংখ্যা ২৮৭, ২৫০ ও ৩১৭টি।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতিতে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এভাবে ক্রমান্বয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকলে জনরোষের সৃষ্টি হবে।
তাদের মতে, অর্থনীতি বা অন্যান্য বিষয়ের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
এজন্য সরকারের অগ্রধিকারের তালিকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার কৌশল থাকতে হবে।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— এত তেল যাচ্ছে কোথায়
খবরটিতে বলা হচ্ছে, প্রায় দেড় মাস ধরে চলা জ্বালানি সংকটের প্রভাবে জনভোগান্তি চরমে।
দেশের অনেক এলাকায় ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
কিন্তু সরকারের দাবি, দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। সরবরাহও করা হচ্ছে গত বছরের সমপরিমাণ।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তাদেরও দাবি, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট কেবল সরবরাহ ঘাটতির নয়; বরং আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত চাহিদা, কালোবাজারি, অব্যবস্থাপনা এবং নীতিগত সীমাবদ্ধতার সম্মিলিত ফল।
পাম্পগুলোতে মূলত অকটেন নিতে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভিড় করছে। আর সরবরাহের বিপরীতে পেট্রল পাম্প থেকে ৩০ শতাংশ বাড়তি চাহিদা আসছে।
কিন্তু গত বছর একই সময়ে তারা যতটুকু তেল নিয়েছে, এবারও তা দেওয়া হচ্ছে। যদিও তাতে কোনো কোনো পাম্প প্রতিদিন তেল মিলছে না।
এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল রোববার থেকে অকটেনের সরবরাহ ২৫ শতাংশ বাড়ানোর চিন্তা করছে বিপিসি।
দ্বিতীয় মেট্রোরেল করবে সরকার, ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন— প্রথম আলোর প্রধান খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণে জাপানি ঠিকাদারেরা কিলোমিটারপ্রতি যে টাকা চাইছে, তা সরকারের প্রাক্কলনের চেয়ে প্রায় ৯৭ শতাংশ বেশি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঠিকাদারদের ব্যয় প্রস্তাব ধরে বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছিল, প্ৰতি কিলোমিটারে খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৩ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, সরকার ধরেছিল, ১ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে। যেখানে উত্তরা থেকে মতিঝিল পথে মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকার মতো।
এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের ব্যয় বিশ্লেষণ করে ঢাকার নতুন মেট্রোরেলের প্রস্তাবিত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
তখন সরকারি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এই প্রকল্পের ঋণদাতা সংস্থা জাইকাকে চিঠি দিয়ে জানায়, ঠিকাদারের দর গ্রহণ করা যাচ্ছে না। সরকার নতুন করে দরপত্র আহ্বানে আগ্রহী।
যদিও জাইকা তাতে রাজি হয়নি। আর মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ আটকে যায়।
বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেই মেট্রোরেল নির্মাণে ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে চাইছে। এজন্য জাইকার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সড়ক মন্ত্রণালয়।
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Anti-graft work in limbo as no ACC in place
এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসার দুই সপ্তাহ পর গত ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেন।
দেড় মাস পরও পদগুলোতে কেউ নিযুক্ত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
কারণ, কোনো নতুন তদন্ত শুরু করা, মামলা দায়ের করা, অভিযোগপত্র অনুমোদন এবং সন্দেহভাজনদের সম্পদ জব্দ করার মতো সিদ্ধান্তের জন্য পূর্ণাজ্ঞ কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন।
এদিকে, দুদকের শীর্ষ পদগুলোতে নিয়োগের জন্য সরকার এখনো নির্বাচন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেনি। যা দুর্নীতি দমন কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
দুদকের সচিব দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ কমিশন না থাকায় তারা চলমান তদন্ত এবং রুটিন কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছেন।