পত্রিকা: 'মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা আগস্টে'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর— মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা আগস্টে

এতে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার গঠনের ছয় মাস পূর্ণ হবে আগামী মাস অগাস্টে। এই সময়ে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন ও রদবদল আসতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হতে পারে।

অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকা এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সমন্বয়হীনতা থাকা মন্ত্রণালয়গুলোতেও রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার মন্ত্রিসভার আকার কিছুটা বাড়তে পারে।

বিষয়টি নিয়ে সরকারের একাধিক মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

মন্ত্রিসভার একহব সদস্য বলেছেন, "সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্বের প্রাথমিক মেয়াদ ছয় মাস। সব মন্ত্রীর কর্মকাণ্ড লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। ছয় মাস পর এটি পর্যালোচনা করা হবে। এতে বাদ পড়তে পারেন মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য। যুক্ত হতে পারে নতুন মুখ।"

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতে চান হাসিনা— মানবজমিনের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা আগামী ডিসেম্বরের দিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।

৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী টেলিফোন সাক্ষাৎকারে রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আমি ফিরে গেলে তারা আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে। এমনকি হত্যা করতেও পারে। তবুও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমনপীড়নের শিকার হচ্ছেন।

নির্বাসনে যাওয়ার পর শেখ হাসিনা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিলেও এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার দিলেন। আবার প্রথমবার তিনি দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সূচিও জানালেন।

বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত এবং তার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ আমাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। তারা বারবার ভারতকে চিঠি পাঠাচ্ছে আমাকে ফেরত পাঠানোর জন্য। কিন্তু আমি নিজেই ফিরে যাবো।

শেখ হাসিনার মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের সরকারের মুখপাত্ররা কোনো মন্তব্য করেননি।

সমকালের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— পরিমার্জন হচ্ছে ১৩৩ পাঠ্যবই, দুই শ্রেণিতে চার নতুন বই

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।

ইতিহাস, বাংলা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়সহ বিভিন্ন বইয়ে নতুন বিষয় সংযোজন ও পুরোনো অংশ পুনর্বিন্যাস করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

মোট ১৩৩টি পাঠ্যবইয়ের পরিমার্জনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। আগামী মাস থেকে ছাপা শুরু হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি বই।

এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে 'খেলাধুলা' ও 'সংস্কৃতি' নামে দুটি বই থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' বই।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষা বিষয়ে একটি উদ্বুদ্ধকরণ বইও যুক্ত হচ্ছে।

এদিকে, নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি প্রবন্ধ সংযোজন হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের 'আমাদের স্মরণীয় নেতা' অধ্যায়ে বর্তমান চার নেতার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদান যুক্ত হচ্ছে।

২০২৬ সালের মাধ্যমিকের বাংলা বই থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছিল; ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে তা আগের মতোই রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সাতই মার্চের ভাষণ থাকছেই।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার একটি সংবাদের শিরোনাম— Deaths behind bars expose custodial horrors। নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই খবরে।

এতে বলা হয়েছে, গাদাগাদি সেল, তীব্র চিকিৎসা সংকট, অ্যাম্বুলেন্সের অভাব আর নির্যাতনের নানা অভিযোগ–সব মিলিয়ে কারাবাস এখন বন্দিদের জন্য এক নির্মম বাস্তবতা। আর দেশের কারাগারগুলোতে কারাবন্দিদের মৃত্যুর ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১৮৫ জন বন্দির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা দেশের কারাগারগুলোর ভেতরের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে।

কারাগারে বন্দিদের মৃত্যুর ঘটনা নতুন না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে অল্প দিনের ব্যবধানে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশজুড়ে বিতর্ক ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে সাধারণ বন্দি থাকলেও স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মৃত্যু নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে।

কারা কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দাবি, বন্দিরা স্বাভাবিক নিয়মে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের দাবি, বন্দিদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়, যা প্রতিটি মৃত্যুর পর পরবর্তী তদন্তের নিরপেক্ষতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, চব্বিশের পাঁচই অগাস্ট থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত দেশের কারাগারগুলোতে মারা যাওয়া ১৮৫ জনের মধ্যে ১২০ জন বিচারাধীন এবং ৫৬ জন সাজা পাওয়া বন্দি। শুধু ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে মারা গেছেন ৬১ জন, যাদের মধ্যে ৩৭ জন ছিলেন বিচারাধীন।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিভিন্ন গবেষণা ও পূর্বাভাস।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৫৭ লাখ। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই কর্মক্ষম।

বর্তমানে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২ শতাংশ, আর ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের হার ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৫-৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠী প্রায় ৬৫ শতাংশ। তবে এ অনুপাত আগামী বছরগুলোয় দ্রুত বদলে যাবে।

২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের হার ১৩ শতাংশেরও বেশি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএনএফপিএ।

জন্মহার কমে আসা এবং গড় আয়ু বাড়ার ফলে একদিকে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত স্থিতিশীল হয়ে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে, অন্যদিকে দ্রুত বাড়ছে প্রবীণের সংখ্যা।

এদিকে, বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ২০২৪-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১১ দশমিক ৯ শতাংশ অপুষ্টির শিকার। সম্প্রতি হাম ও নিউমোনিয়া নিয়ে শিশুমৃত্যু বৃদ্ধির পেছনে অপুষ্টিকেই বড় কারণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— দেশে সন্তান জন্মদানের হার বেড়েছে

এই খবরে বলা হয়েছে, একটি জরিপে ওঠে এসেছে, দেশে প্রথমবারের মতো মোট প্রজনন হার বা টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) সামান্য বেড়েছে। অর্থাৎ মায়েদের গড় সন্তানসংখ্যা কিছু বেড়েছে।

আগে প্রতি ১০ জন মা মোট ২৩ জন সন্তানের জন্ম দিতেন। আর এখন সেই সংখ্যাটা হয়েছে ২৪।

এই হারে মাত্র মাত্র একজন বাড়লেও সেটাই বড় এক চাপ এবং ঝুঁকির আলামত হয়ে এসেছে। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিপদ দেখছেন।

এছাড়া, এক দশকের বেশি সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যন্ত জনবলসংকট চলছে, সরকারিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর সরবরাহ নেই, অনেক দম্পতি প্রয়োজনের সময় তা পাচ্ছেন না।

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— বন্যার ধকল দীর্ঘ হচ্ছে

এই খবরে বলা হয়েছে, চার দশকের রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্যাঞ্চল। এসব এলাকায় লাখ লাখ পানিবন্দী মানুষ প্রচণ্ড দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সাথে যুক্ত হয়েছে পাহাড়ধস আর শহর এলাকায় জলাবদ্ধতার ভোগান্তি।

বন্যা পরিস্থিতির জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পাঁচ জেলায় আজ শনিবারের এইচএসসি, কারিগরি ও মাদরাসা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এছাড়া, ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে বৃহত্তর সিলেটে ব্যাপক বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে।

মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়ও। সার্বিক পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গত অঞ্চলে মানুষের ধকল দীর্ঘ হতে যাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতিবিষয়ক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাহাড়ধসে প্রতিবছর গড়ে ২৫ জনের মৃত্যু— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে প্রতিবছর গড়ে পাহাড়ধসের ২৩টি ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় গড়ে ২৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয় অর্ধশত মানুষ।

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের গত সাড়ে ১০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, টিলা ও পাহাড় কেটে অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের কারণে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান ও রাঙামাটির মতো এলাকাগুলোয় প্রায়ই পাহাড়ধস ও মাটিচাপায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়কেন্দ্রিক রাজনৈতিক অপতৎপরতা, গাছ কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করাসহ বিভিন্ন কারণেই পাহাড়ে ধসের ঘটনা ঘটছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এ বছর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে ২৯টি। এসব ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যু হয়, আহত হয়েছে ৮৮ জন।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Flood, landslides: PM unhappy with officials, BNP activists' slow response; অর্থাৎ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা ও বিএনপিকর্মীরা ধীরগতিতে সাড়া দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী অসন্তুষ্ট।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম অঞ্চল ও পার্বত্য জেলাগুলোতে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, বিএনপির নেতাকর্মী এবং কিছু সরকারি কর্মকর্তার কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দলের নেতাকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রশাসনকে সহায়তা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু এলাকায় তাদের প্রত্যাশিত উপস্থিতি দেখা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, কোনো কোনো সংসদ সদস্য স্বল্প সময়ের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে ছবি তুলেই চলে গেছেন; উদ্ধারকাজ, ত্রাণ বিতরণ বা পুনর্বাসন কার্যক্রম তদারকি করেননি।

এদিকে, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পর্যালোচনার সময় সমন্বয়হীনতা, অপর্যাপ্ত আগাম প্রস্তুতি এবং দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছাতে বিলম্বের বিষয়টি তারেক রহমানকে অবহিত করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী সন্তুষ্ট ছিলেন না।

তিনি বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বা তলিয়ে যাওয়া সড়কের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা যাছাইয়ের ক্ষেত্রে চেষ্টার ঘাটতি ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্রমতে, ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার পূর্বাভাসকে কর্তৃপক্ষ যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, শুকনো খাবার ও নিরাপদ পানি মজুদ করা এবং বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তুতি ছিল অপর্যাপ্ত।

নিউ এইজের প্রথম পাতার শিরোনাম— Loans go to 60pc wrong people: IMED report; অর্থাৎ ৬০ শতাংশ ঋণই গেছে অনুপযুক্তদের হাতে: আইএমইডির প্রতিবেদন।

এই খবরে বলা হয়েছে, তাঁতিদের মূলধন সরবরাহ এবং তাঁত আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া একটি সরকারি প্রকল্পের প্রায় ৬০ শতাংশ সুবিধাভোগীই ঋণ পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না— এমন তথ্য উঠে এসেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রতিবেদনে।

আইএমইডির মূল্যায়নে ওঠে আসে, মোটর বসানোর জন্য বরাদ্দ ঋণের প্রায় ৮০ শতাংশই এমন সব তাঁতের জন্য দেওয়া হয়েছে, যেগুলোতে আগে থেকেই মোটর লাগানো ছিল।

এছাড়া, ঋণগ্রহীতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্বচ্ছতার অভাবের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

১৫৮ কোটি টাকার এই প্রকল্প তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে প্রতিবেদনে।